বেঁচে থেকে মৃত্যুর অভিজ্ঞতা

 মৃত্যু বা এর পরবর্তী জীবন নিয়ে মানুষের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। তবে জীবন নদীর ওপারের রহস্য আজও উন্মোচন করা সম্ভব হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান মৃত্যুর পর কেমন হতে পারে সেই ধারণা দিতে জীবন্ত মানুষদের নিয়ে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করেছে। গত কয়েক বছরে এতে অংশ নিয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ।



এই ‘জীবন্ত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার’ আয়োজন করছে হাইওন হিলিং সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি, মানুষকে মৃত্যুর অভিনয় করিয়ে তাদের জীবন মান উন্নয়ন করাতে চায় তারা।

এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কিশোর থেকে বৃদ্ধ অনেকেই সরাসরি এতে অংশ নিয়েছেন। এদের কেউ কাফন পরিধান করেছেন, মৃতের ছবি বহন করেছেন, মৃত্যুকালীন ঘোষণা লিপিবদ্ধ  করেছেন এবং বদ্ধ কফিনে ১০ মিনিট করে অবস্থান করেছেন।

এতে অংশ নেওয়া ৭৫ বছরের চো জায়ে হি বলেন, ‘আপনি যখন মৃত্যু সম্পর্কে সচেতন হবেন এবং এর অভিজ্ঞতা নেবেন, আপনি একটি নতুন জীবনকে গ্রহণ করবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চোই জিন কিউ জানান, কফিনের ভেতরে অবস্থানের সময় তিনি বুঝতে পারছিলেন, প্রায়ই তিনি অন্যদের নিজের প্রতিযোগী বলে ভাবতেন।

২৮ বছরের এই তরুণ বলেন, ‘আমি যখন কফিনের ভেতর ছিলাম তখন মনে হলো এসব করে কী লাভ।’ তাই এখন স্নাতোকোত্তর শেষ করার পর উচ্চপ্রতিযোগিতার চাকরির বাজারে তিনি আর প্রবেশ করতে চান না। তিনি এখন নিজেই ব্যবসা শুরু করতে চান।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আয়োজক প্রতিষ্ঠান হাইওনের প্রধান জিয়ং ইয়োং মান জানান, তাদের এই জীবন্ত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আয়োজনের উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকজনকে যাতে তাদের জীবনকে উপলব্ধি করতে পারে, ক্ষমা প্রদর্শণ করতে পারে এবং পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে মিলেমিশে চলতে পারে।

সৈকতে বরফের ডিম

ফিনল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে বিপুল সংখ্যক বরফের ডিম দেখা গেছে। রোববার স্থানীয় বাসিন্দা রিস্তো মাত্তিলা এই ডিমের ছবি তুলেছেন।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত রোববার হাইলোতো দ্বীপের মারজানিয়েমি সৈকতে রিস্তো ও তার স্ত্রী হাঁটছিলেন। এ সময় সৈকতের ৩০ মিটার এলাকাজুড়ে তারা ডিম্বাকৃতির বরফ দেখতে পান।
রিস্তো বলেন, ‘সবচেয়ে বড় ডিমগুলো ছিলো ফুটবলের সমান। এটা ছিলো অসাধারণ দৃশ্য। এ ধরণের দৃশ্য আমি কখনো দেখিনি।’
ফিনল্যান্ডের আবহাওয়া দপ্তরের বরফ বিশেষজ্ঞ জৌনি ভাইনিও জানান, এ ধরনের ঘটনা সচরাচর ঘটে না। তবে উপযুক্ত আবহাওয়ায় বছরে একবার ঘটতে পারে।
তিনি বলেন,‘আপনার বাতাসের সঠিক তাপমাত্রা (শূন্যের সামান্য নিচে), পানির সঠিক তাপমাত্রা (বরফ হওয়ার কাছাকাছি), সরু ও মসৃন ঢালু বালুকাময় সৈকত, শান্ত ঢৈউ প্রয়োজন।’

৩ কোটি ডলার নিয়ে পালিয়েছেন দুবাইয়ের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী

তিন কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার নিয়ে দুবাই ছেড়ে পালিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতি শেইখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের ষষ্ঠ স্ত্রী প্রিন্সেস হায়া বিন্তে আল হুসেইন। ধারণা করা হচ্ছে দুই সন্তানকে নিয়ে লন্ডনে লুকিয়ে আছেন তিনি।

জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহর সৎ বোন প্রিন্সেস হায়া এর আগে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী মোহাম্মদ বিন রাশিদের কাছ থেকে বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছিলেন। এই দম্পতির জালিলা (১১) ও জায়েদ (৭) নামে দুই সন্তান রয়েছে। অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করা প্রিন্সেস হায়াকে গত ২০ মে থেকে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় দেখা যায়নি।

টাকা নেই বলায় আইসিইউ’র জীবিতকে মৃত ঘোষণা করলেন ডাক্তার


দাফনের প্রস্তুতি শেষ। আইসিইউতে থাকা দুর্ঘটনার রোগী ২০ বছর বয়সী ফোরকানকে মৃত বলে ঘোষণা করার পর হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসা হলো বাড়িতে। তবে এরপরই রীতিমতো শোরগোল বাঁধল। অ্যাম্বুলেন্স থেকে ফোরকানকে বের করার সময় আচমকা নড়ে উঠতে দেখা গেল তাঁর দেহ। ঘটনাটি ভারতের উত্তরপ্রদেশের।
মুহূর্তে বদলে গেল পরিবেশ। শোকে মূহ্যমান এলাকা হয়ে উঠল উত্‍‌ফুল্ল। দাফনের প্রস্তুতি বাদ দিয়ে অবিলম্বে ফুরকানকে নিয়ে উত্তরপ্রদেশের রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ছুটল তাঁর পরিবার। সেখানে গিয়ে দেখা গেল তখনও তরতাজা ছেলেটির শরীরে প্রাণ ধুকপুক করছে। সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হল অক্সিজেন সাপোর্ট।
২১ জুন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্‍‌সা চলছিল ফুরকানের। তার দাদা মহম্মদ ইরফানের অভিযোগ, 'হাসপাতালে ওকে আইসিইউতে রাখা হয় আর প্রতিদিন বড় অঙ্কের চার্জ নিতে থাকে ওরা। আমরা ৭ লাখ টাকা দিয়েছি। যখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালাম আমাদের আর টাকা নেই, তখন সোমবার ওরা ফুরকানকে মৃত বলে ঘোষণা করল ‘
তিনি আরও বলেন, ‘ওকে বাড়ি আনার পর পরিবারের একজন লক্ষ করে ফুরকানের শ্বাস চলছে। কয়েকজন ওর হাত-পা নড়তেও দেখলেন। তখনই ওকে হাসপাতালে ভর্তি করি।'
এই ঘটনায় ভারতের তোলপাড় দেখা দিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় চিফ মেডিক্যাল অফিসার ডা. নরেন্দ্র আগরওয়াল।
ইত্তেফাক/টিএস

বিমানের চাকা ধরে কেনিয়া থেকে লন্ডন, অতঃপর মৃত্যু

কেনিয়া এয়ারওয়েজ-এর বিমানের চাকা থেকে লন্ডনের মাটিতে ছিটকে পড়ে মারা গেলেন এক ব্যক্তি। নিহত ওই কেনিয়ার নাগরিক অবৈধ উপায়ে ব্রিটেনে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন বলে মনে করছে পুলিশ।
সোমবার কেনিয়া এয়ারওয়েজ-এর একটি বিমান হিথরো বিমানবন্দরে নামার কিছু আগে, ল্যান্ডিং গিয়ার থেকে পড়ে মারা গেলেন এক ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, মাটি থেকে ৩,৫০০ উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তি পড়ে যান। লন্ডনের ক্ল্যাপহ্যাম এলাকার অফার্টন রোডের এক বাড়ির বাগানে আছড়ে পড়ে তাঁর দেহ।
এক প্রতিবেশী জানিয়েছেন, 'সকালে ধুপ করে কিছু পড়ার শব্দ পেয়ে দোতলায় উঠে জানালা খুলে দেখি, পাশের বাড়ির বাগানে এক অপরিচিত যুবক ঘুমোচ্ছে। প্রথমে ভেবেছিলাম, কোনও ভবঘুরে বাড়ির বাগানে ঢুকে পড়েছে। তার শরীরে কোনও ক্ষত ছিল না, পোশাকও ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু ভালো করে নজর করে বাগানের দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পাই। তখনই বুঝতে পারি, মানুষটি কোনও উঁচু জায়গা থেকে পড়ে গিয়েছে।'
আকাশ থেকে যে বাড়ির বাগানে খসে পড়ে দেহটি, সেখানে তখন রৌদ্রস্নান করছিলেন বাড়ির মালিক। তাঁর থেকে মাত্র কয়েক ফিট দূরেই এসে পড়ে দেহটি। আতঙ্কিত গৃহস্বামী প্রথমে প্রতিবেশী এবং পরে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
ইত্তেফাক/টিএস

সাভারে হেলে পড়েছে ৬ তলা ভবন

সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় একটি ছয়তলা ভবন পাশের তিনতলা ভবনের ওপর হেলে পড়ছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন দুটি ভবন সিলগালা করেছে। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আবাসিক ওই ভবন দুটিতে থাকা বাসিন্দাদের।
রবিবার রাত ৮টার দিকে হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকার মজিবর রহমানের মালিকানাধীন তারামন ভিলা নামে ছয়তলা ও আইয়ুব আলীর মালিকানাধীন রৌদ্রছায়া নামে তিনতলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন দুটি সিলগালা করে দেয় সাভার উপজেলা প্রশাসন। সাভার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার লিটন আহমেদ বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজুর রহমানের নেতৃত্বে হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকায় হেলে পড়া দুটি বহুতল ভবন পরিদর্শনে যায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

প্রেমের ফাঁদ, ব্ল্যাকমেইল, বিয়ের প্রলোভনে ছাত্রীদের ধর্ষণ

সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহাম্মদ হুমায়ূন কবিরের আদালতে ছাত্রীদের ধর্ষণ এবং কয়েকজন ছাত্রীর অভিভাবককে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দিনের পর দিন শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের বিষদ বর্ণনা দেন আরিফুল।
ভিকটিমদের কাউকে প্রেমের ফাঁদে, কাউকে বিয়ের প্রলোভনে আবার কাউকে ব্ল্যাকমেইল করে শয্যাসঙ্গী করেছেন ওই শিক্ষক।